তেলীপাড়া শরীয়তপুরের একটি আদর্শ গ্রাম!

বাংলাদেশের ৬৮ হাজার গ্রামের ভিতরে আরও অন্যান্য গ্রামের মতোই আমাদের গ্রামও একটি। আমাদের গ্রামের নাম তেলীপাড়া, কেবল মাত্র যোগাযোগ স্থা উন্নতি তথা রাস্তাঘাট উন্নত থাকার কারনে, আমাদের এই তেলীপাড়া গ্রামটি আরও অন্যান্য গ্রাম থেকে আলাদা। যাতায়াত থেকে শুরু করে শিক্ষা,চিকিৎসা, এবং মৌলিক চাহিদা সবকিছুই সহজ লভ্য। আর এসব কারনেই শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার চামটা ইউনিয়নের একটি আদর্শ গ্রাম হিসাবে পরচিত। তেলীপাড়া গ্রামটি শুধু নামেই সকলের কাছে পরিচিত নয়,শিক্ষার দিক থেকেও রয়েছে এগিয়ে।

তেলীপাড়া প্রাথমিক বিদ্দালয়, একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ও মাদ্রাসা। তেলীপাড়া তরুণসঙ্গ মাঠ যেটা পার্শ্ববর্তী গ্রামের লোকজন এসে খেলাধুলা করে। অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠানের ভিতরে রয়েছে একটি ইউনিয়ন পরিষদ একটি মা ও শিশু কেন্দ্র। একটি হাসপাতাল একটি ভূমি অফিস এবং পোষ্ট অফিস। তেলীপাড়া গ্রামটি নড়িয়া থানার ভিতরে অন্যতম একটি উন্নত গ্রাম। এখানে যাতায়াত করার মাটির রাস্তার পরিবর্তে এখন পিচঢালা রাস্তা, আমাদের এলাকার মানুষ প্রতিদিনের বেচা কেনা করার ক্ষেতরে এখন আর হাজার মাইল পারি দিতে হয় না,মাত্র এক মাইল পথও অতিকর্ম করতে হয় না।তেলীপাড়াবাসীর,চাহিদা পূরনের জন্নে এলাকাবাসী সকলের যোগিতায় গড়ে উঠেছে একটি বাজার,বাজারের নাম গোলার বাজার।

এখানে গ্রামের মানুষ অতি সহজে তাদের ব্যবসায়িক লেন দেন সব কিছুই করতে পারে। তেলীপাড়া গ্রামে সবচেয়ে আকর্ষণীয়ও দিক যা তা হলো মিয়া বাড়ি। মিয়া বাড়ি এটা শুনে মনে হবে শুধুই একটি বাড়ি আসলে টা না, মিয়া বাড়ি মাজার হ্যাঁ এটা হলো আমাদের এলাকার আর একটি দর্শনীয়স্থান এই মাজারে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ আসে। এবং কি দেশের বাইরে থেকেও পর্যটকরা এখানে আসে,মাজারে কি এমন আছে? যার কারনের এত দুরপ্রান্ত থেকেও মানুষ এটা কে দেকতে আসে! এর মূল কারন হলো তেলীপাড়া গ্রাম এর মাজার টি কোন সাধারণ মাজার নয় এর ভিতরে রয়েছে ৫ টি কবর, আর কবর ৫ টি কোন মানুষ তৈরি করে নাই,এটা গাইবি কবর আর এই কারনেই সবসময় মানুষ এর ডল লেগেই থাকে। এছাড়াও তেলীপাড়া গ্রামটি শরিয়তপুর জেলার নাড়িয়া থানার ভিতরে অন্যতম,কেননা এই গ্রামের মানুষ খুবই শান্ত প্রকৃতির আর রাজনীতির কথা বলতে গেলে বলা চলে যে যার মতো করে তার দল চালায় নেই কোন দাঙ্গা হামলার মত কঠিন পরিস্থিতি। খেটে খাওয়া মানুষ আর উচ্চ কর্ম কর্তারা দিন শেষে সবাই এক নেই কোন ভেদাভেদ। তেলীপাড়া উন্নয়নের ক্ষেত্রে এখন অনেক এগিয়ে গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *